প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতি প্রসঙ্গে – ভাঙ্গুড়া জরিনা রহিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সদস্যদের সংবাদ সম্মেলন

ভাঙ্গুড়া প্রতিনিধিঃ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভাঙ্গুড়া প্রেসক্লাবে প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রসঙ্গে ভাঙ্গুড়া জরিনা রহিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও সদস্যগণ সংবাদ সম্মেলন করেন। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভাঙ্গুড়া জরিনা রহিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক মোঃ ফারুক হোসেন। তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে উপজেলার অন্যতম প্রাচীন নারী বিদ্যাপিঠ ভাঙ্গুড়া জরিনা রহিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শওকত আলী তার দুর্নীতি ও অনিয়ম আড়াল করতে উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও ভাঙ্গুড়া পৌর মেয়রকে জড়িয়ে পাবনা প্রেসক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন যা গত ২৬ মার্চ “দৈনিক ইছামতি, অনাবিল পত্রিকা ও দৈনিক সিনসা“ সহ স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় ‘ভাঙ্গুড়ায় সাংসদ ও মেয়রের মদদপুষ্ট না হওয়ায় অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্বাচন হচ্ছে না” শিরোনামে প্রকাশ করা হয় সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও অভিভাবক সদস্যরা তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বক্তব্যে দাবি করা হয় প্রধান শিক্ষক শওকত আলী ১৭.১০.২০০৪ সালে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে তার অনিয়ম, স্বেচ্ছারিতা, অর্থ আতœসাৎ, মোটা অংকের ঘুষ নিয়ে জাল সনদে শিক্ষক নিয়োগ, সরকারি বই বিক্রি, পকেট কমিটি গঠনের চেষ্টা এবং ভুয়া সনদে নিয়োগপ্রাপ্ত তার স্ত্রীকে দিয়ে শিক্ষদের উপর মাতব্বরি করিয়ে বিদ্যালয়টিকে আজ ধ্বংশের দারপ্রান্তে দাড় করিয়েছে। ৩০.০৪.২০১০ সালে সরকারি এক অডিটে প্রধান শিক্ষক ১০ লাখ ২৯ হাজার ৫ শত ৮৫ টাকা আতœসাতের অভিযোগ অভিযুক্ত হন। এর পেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রালয় প্রধান শিক্ষক শওকত আলীর বেতন-ভাতা বন্ধের নির্দেশ দিলে সুচতুর প্রধান শিক্ষক তৎকালীন সভাপতি বাকি বিল্লাহর যোগসাজসে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন করে বেতন-ভাতা চালু রাখেন। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ও বিপক্ষে ৭/৮ টি মামলা চলমান রয়েছে। বিদ্যালয়ের বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে সাবেক সভাপতি বাকি বিল্লাহ আদালতে ভায়লেশন মামলা দায়ের করায় বর্তমান সভাপতি বেতন বিলে স¦াক্ষর করছেন না। ফলে শিক্ষক-কর্মচারীরা গত দুই মাস বেতন-ভাতা উত্তোলন করতে পারছেন না। বিধায় তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। এর প্রতিকার চেয়ে সকল শিক্ষক ও অভিভাবক সদস্যগণ দুর্নীতি ও মামলাবাজ প্রধান শিক্ষকের অপসারণ চেয়ে দাবী জানান। এসময় বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author