প্রধান মেনু

‘#মি-টু’ নিয়ে তিশা

ভয়াবহ রূপ নিয়েছে ডেঙ্গু। জ্বর হলেই হাসপাতালে গিয়ে পরীক্ষা করলে ধরা পড়ছে ডেঙ্গু। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে এখন আর তিল ধারণের ঠাঁই নেই। ভর্তি ৮০ ভাগই ডেঙ্গু রোগী। মিনিটে মিনিটে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী। মায়েরা আসছে রুগ্ন শিশুকে কোলে নিয়ে কাঁদতে কাঁদতে। হাসপাতালে একটাও সিট খালি নেই! কী মর্মান্তিক পরিস্থিতি। রোগীর জায়গা না হলে কী হবে অ্যাডিস মশারা ঠিকই রয়েছে হাসপাতালে।

অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ‘#মি-টু’ শিরোনামের একটি পোস্টার প্রকাশ করেন। এরপর এটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয় আলোচনা। তবে জানা যায়, এটি একটি নাটকের পোস্টার। এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী।

নাটকটি প্রসঙ্গে তিশা বলেন, ‘এবার ঈদের জন্য বেশ কয়েকটি কাজ করছি। এর মাঝে অন্যতম #মি-টু নাটকটি। অন্যান্য নাটকের চেয়ে এটার গল্পটা ভিন্ন ও সময়োপযোগী। নাটকটির গল্পে দর্শকরা আমাকে দেখতে পাবেন যৌন হয়রানির শিকার হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে #মি-টু দিয়ে অভিযোগ তুলে ধরা একজন নারীর চরিত্রে। এরপর আমার দেখাদেখি অনেকেই যৌন হয়রানিকারীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠেন।’

সম্প্রতি নাটকটির শুটিং শেষ হয়েছে। এটি পরিচালনা করেছেন সাজ্জাদ সুমন। পরিচালক বলেন, ‘নাটকটি প্রতিবাদস্বরূপ নির্মাণ করেছি। আমাদের দেশের নারীরা নানা ক্ষেত্রে যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছে। যৌন হয়রানি থেকেই কিন্তু এক সময় ধর্ষণের মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে। তাই শুরুতেই যদি যৌন হয়রানি প্রতিরোধ করা যায় তাহলে দেশে ধর্ষণে সংখ্যা অনেক কমে আসবে। সেই ভাবনা থেকেই ‘#মিটু’ নাটকটি নির্মাণ করেছি।’