প্রধান সূচি

বঙ্গবন্ধু অসাম্প্রদায়িক চেতনার মূর্ত প্রতীক: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল বলেছেন, আমরা ভাগ্যবান যে আমরা এমন একটি দেশে বাস করি যে দেশের জাতির পিতা ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার একজন মূর্ত প্রতীক। তিনি বলতেন, কে হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রিস্টান সেটি বড় কথা নয় আমাদের একমাত্র পরিচয় আমরা বাঙালি।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু তার হৃদয়ের গভীরে প্রোথিত অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে প্রেরণা যুগিয়েছিলেন এবং সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশমাতৃকাকে শত্রুমুক্ত করতে সমর্থ হয়েছিলেন। তিনি আজ রবিবার ( ২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সার্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসব ২০২০ উপলক্ষে গাজীপুরের বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বস্ত্র বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষুধা দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত সমৃদ্ধ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে দিনরাত কাজ করে চলেছেন। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে করোনাকালীন সময়েও তিনি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার মধ্যে দিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।

তিনি বিশ্বের কাছে এখন উন্নয়নের রোল মডেল। বাংলাদেশ এখন প্রতিবেশী দেশসমূহের মধ্যে প্রবৃদ্ধি জিডিপি ও মাথাপিছু আয় সকল সূচকে এগিয়ে রয়েছে। করোনার সময়েও উন্নয়নের এই উর্ধ্বমুখী লেখচিত্র বিশ্বের অন্য কোনো রাষ্ট্রে দেখা যায়নি। এমনকি এভাবে ধর্ম পালন, এতো মানুষের মিলন আর কোথাও দেখা যায় নি। সবকিছুই সম্ভব হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বে। আমরা সৃষ্টি কর্তার নিকট তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।

আবহমান কাল ধরে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের শান্তিপূর্ণ বসবাসের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রতিষ্ঠায় বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।

এ সময়ে প্রতিমন্ত্রী দেশবাসীকে শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানান এবং যথাযথ স্বাস্থ্য বিধি মেনে উৎসব পালনের পরামর্শ দেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে সার্বজনীন শারদীয় এ উৎসব মধ্যে দিয়ে সকল অকল্যাণ দূরীভূত হবে। সকল অন্যায় অবিচারের অবসান ঘটবে।

প্রতিমন্ত্রী গাজীপুরের বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ করেন। এ সময়ে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।