প্রধান সূচি

ইছামতি নদী যথাযথভাবে খননের দাবিতে পাবনা পানিউন্নয়ন বোর্ড ঘেরাও এবং স্মারকলিপি প্রদান

স্টাফ রিপোর্টারঃ মহামান্য হাইকোটের্র আদেশ মোতাবেক সিএস ম্যাপ অনুযায়ী পাবনার ঐতিহ্যবাহী ইছামতি নদী ” পুনরুজ্জীবিত করা এবং যথাসময়ে ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী উচ্ছেদ ও খনন কাজ শেষ করার দাবিতে গতকাল বুধবার ০৯ জুন বেলা ১১ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত পাবনা পানিউন্নয়ন বোর্ড ঘেরাও কর্মসূচী পালন এবং নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল আলমের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। ইছামতি নদী উদ্ধার আন্দোলন পাবনা এবং বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) পাবনা জেলা শাখার উদ্যোগে ইছামতি নদী উদ্ধার আন্দোলন পাবনার সভাপতি এস এম মাহবুব আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ঘেরাও কর্মসূচীতে বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সদস্য ও সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম – মুক্তিযুদ্ধ ’৭১ এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা আসম আব্দুর রহিম পাকন, জেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান টিংকু, সাবেক সাংগঠনিক কধান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুর রহমান, ইছামতি নদী উদ্ধার আন্দোলন পাবনার সাধারণ সম্পাদক জেলা কৃষকলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান হাবিব, জেলা আওয়ামী সাংষ্কৃতিক ফোরামের সভাপতি সামছুল হুদা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ এনামুল হক চৌধুরী টগর, বঙ্গবন্ধু পরিষদ পাবনা জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ কে এম আবুল কালাম আজাদ, স্বাধিনতা শিক্ষক পরিষদের সদর উপজেলা শাখার সভাপতি সামছুল হুদা ডিগ্রী কলেজের উপাধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম খান বাবু, ইছামতি নদী উদ্ধার আন্দোলন সাংগঠনিক সম্পাদক ড. মনছুর আলম, কৃষিবিদ জাফর সাদেক, বাঁচতে চাই নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রব মন্টু, চাটমোহর বড়াল নদী রক্ষা কমিটির নেতা জাকির হোসেন, ইছামতি থিয়েটারের পরিচালক ভাস্কর চৌধুরী , মুক্তদৃষ্টি সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদ’র সাধারণ সম্পাদক কবি মোমতাজ রোজ কলি, পাবনা ইসলামিয়া ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক কবি মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।

। ঘেরাও কর্মসূচীতে ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সদর উপজেলার আহ্বায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা আলী জব্বার, মুক্তিযোদ্ধা মুকুল, বীরমুক্তিযোদ্ধা আতিয়ার রহমান সাচ্চু, বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম সাচ্চু, বীরমুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন মুকুল, স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম সম্পাদক বাবু শেখ, শহীদ এম মনছুর আলী কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড.আল আমিন,পাবনা রিপোর্টাস ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহবুব মোর্শেদ বাবলা, লতিফ গ্রুপের নির্বাহী সদস্য মাহি বিশ্বাস,৭১ টিভির জেলা প্রতিনিধি মোস্তাফিজুর রহমান রাসেল, মুক্তদৃষ্টি সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদ’র সভাপতি শফিক আল কামাল, দৈনিক আমাদের অর্থনীতির জেলা প্রতিনিধি মিজান তানজিল, কালবেলা জেলা প্রতিনিধি মামুন হোসেন, ক্যামেরা পারসন জিয়াউল হক রিপন, মাসুর রানা ও আসিফ, রফিকুল ইসলাম সজিব, আইয়ুব আলী, আব্দুর মুন্নাফ, কবি মোহসীন আলী, কবি মধুসুদন মজুমদার, শফিউদ্দিন মিয়া, আবু জাফর, আঃ রশিদ, আঃ রাজ্জাক, আতিয়ার রহমান, শফিকুল ইসলাম, আঃ সালাম, রাকিব হাসান,সাওন প্রাং, মমিন খান,স্বাধিন খান, নিরব শেখ, সজল ঘোষ,নুরুল নবি নিবির,নোমান, রাফি, ইমন, হাসান,আকাশ প্রমুখ সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেন।
উল্লেখ্য বাংলাবাজার ব্রিজ থেকে লাইব্রেরীবাজার হয়ে শ্মশানঘাট পর্যন্ত ৭.৭৬ কিঃমিঃ ইছামতি নদীর ২মিঃ অথার্ৎ প্রায় ৭ ফুট খনন কাজের জন্য ইতিমধ্যে ৫ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকার টেন্ডার হয়েছে। উক্ত কাজটি পেয়েছেন ঢাকার জনৈক ঠিকাদার আব্দুর রাজ্জাক। গত ৩০ মার্চ কাজটি উদ্বোধন করেন পাবনা সদর আসনের সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্স। লাইব্রেরী বাজার থেকে শ্মশানঘাট পর্যন্ত ৫ কিঃমি নদী খননের কাজ শুরু হবে দেশের লকডাউন শেষ হলে, প্রথমে নদীর দুপাড়ে উচ্ছেদ অভিযান পরে খনন কাজ। বাকী ২.৭৬ কিঃমিঃ অর্থাৎ বাংলাবাজার ব্রিজ থেকে লাইব্রেরীবাজার পর্যন্ত খনন কাজ চলছে। প্রায় দু‘মাসে মাত্র ২০ থেকে ২৫ % কাজ করা হয়েছে। বাকী কাজ আগামী ৩১ ডিসেম্বর /২০২১ এর মধ্যে কী ভাবে সম্ভব। এ ভাবে কাজ চলতে থাকলে খনন কাজের টাকা ফেরৎ দিতে হবে বলে জানান বাপাউবো পাবনার জনৈক কর্মকর্তা। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের স্বাক্ষাত তো দূরের কথা মোবাইলেও পাওয়া যাচ্ছোনা।
পানিউন্নয়ন বোর্ড পাবনার নিবার্হী প্রকৌশলী রফিকুল আলম স্মারকলিপি গ্রহণ শেষে বলেন, মহামান্য হাইকোর্টের উর্দ্ধে আমরা কেউ নই। হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী সিএস ম্যাপ অনুযায়ী পাবনার ঐতিহ্যবাহী ইছামতি নদীর দু‘পাড়েরর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং খনন কাজ করা হবে। খননকাজ যথাযথ ভাবে সম্পন্ন না করতে পারলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে বিল পরিশোধ করা সম্ভব হবে না।