প্রধান সূচি

মরহুম ওসমান গনির মৃত্যু দিবস ২৯শে জুন

স্টাফ রিপোর্টারঃ
ঈশ্বরদী সাঁড়া মাড়োয়ারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক মরহুম ওসমান গনি’র মৃত্যু দিবস ২৯শে জুন। ১৯৮৬ সালের এই দিনে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বিৃটিশ গ্র্যাজুয়েট ওসমান গনি মেধাবি ছাত্র ছিলেন। তিনি বিৃটিশ এয়ারফোর্সে পাইলট অফিসার হিসেবে নিয়োগ লাভ করেও মায়ের আপত্তির কারনে যোগদান থেকে বিরত থাকেন।
পাকিস্তানের শুরুর দিকে তিনি পুলিশ বিভাগে অফিসার হিসেবে যোগদান করে বিভিন্ন থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে প্রায় এক যুগ সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু এই পেশা তাঁর চিন্তা-চেতনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ায় এক যুগ পর চাকুরিতে ইস্তফা দিয়ে শিক্ষকতার পেশা বেছে নেন এবং আমৃত্যু ঈশ্বরদীর সাঁড়া মাড়োয়ারী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন।
তিনি ঈশ্বরদীর নুরমহল্লায় হোমিওপ্যাথী কলেজ প্রতিষ্ঠা সহ বিভিন্ন সামাজিক কাজে যুক্ত ছিলেন। মরহুম ওসমান গণি ও আমেনা গণি দম্পতির সন্তান সংখ্যা ছিল ৮ পুত্র ও ৪ কন্যা। তবে ছোট দুই পুত্র ইতোমধ্যে ইন্তেকাল করেছে। সাপ্তাহিক জনদাবীর সম্পাদক আলাউদ্দিন আহমেদ তাঁর ৪র্থ পুত্র। মরহুম ওসমান গণি ছিলেন মেধাবি. প্রকৃত ধার্মিক, সাহসি ও পরিশ্রমি মানুষ। তিনি বহু কবিতা লিখেছেন।
তাঁর লেখা একটি কবিতার কয়েকটি লাইন এ মহুর্তে মনে পড়ছে; ‘ঈশ্বরদীতে আছে রেলওয়ে জংসন/মটর রিক্সা চেলে তাও চলে হন্ হন্। কিছু দুর গেলে পাবে পদ্মার বড় পুল/পাক ভারতের মাঝে নেই যার সমতূল’। —ইত্যাদি। তাঁর অনেক কবিতা, গল্প লেখার ৩টি পান্ডুলিপি মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার ও অবাঙালীদের দ্বারা বাড়ি লুটপাট ও ধবংশ হলে লেখাগুলোও নষ্ট হয়ে যায়। ফলে সেগুলো আর বই আকারে প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।