প্রধান সূচি

তদন্তের আগেই সাঁথিয়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর ভেঙ্গে মেরামত শুরু

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ
মুজিব শতবর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে আশ্রয়ণ-২ এর আওতায় পাবনার সাঁথিয়ায় হত দারিদ্র গৃহহীনদের প্রথম পর্যায়ে ৩৭২টি দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ঘর নিমার্ণে বরাদ্দ দেয়া হয় ১লাখ ৭১হাজার টাকা। ইতো মধ্যে ঘরগুলোতে অধিকাংশই পরিবার বসবাস শুরু করেছে। এরই মধ্যে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের ঘর নির্মানে অনিয়মের অভিযোগ উঠে। সারা দেশে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরের দূর্ণীতির তদন্তের কথা শুনে সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও আশ্রয়ণ প্রকল্পের সভাপতির নির্দেশে ঘর ভেঙ্গে ফেলে পুর্ণরায় নির্মান শুরু করেন। শুক্রবার (৯ জুলাই) উপজেলা ক্ষেতুপাড়া ইউনিয়নের মাছ গ্রামের ১০টি ঘরসহ প্রািতটি ঘরের চাল খুলে ফেলা হচ্ছে।
শুক্রবার বিকালে সরেজমিনে মাছ গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ৫টি ঘর ছাড়া সব কয়টি ঘরের চালা খুলে ফেলা হয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়া হয়েছে। চালাগুলো পাশে রেখে দেওয়া হয়েছে। ৮ নং ঘরের বাসিন্দা নাজমা খাতুন জানান, ঘর ২ ফুট উচÍা কম হওয়ায় পুর্ণরায় চাল সরিয়ে উচ্চতা বৃদ্ধি করা হবে। তিনি আরও জানান ঘর নিম্ন মানের সামগ্রী দ্বারা নির্মান করা হয়েছে। নির্মানের পর থেকেই ছোয়া লাগলেই প্লাস্টার উঠে যাচ্ছে। চাল খোলার সময় ঘরের বারান্দার পিলার ভেঙ্গে পড়েছে। বিনা খাতুন ও খুশি খাতুন জানান, প্রধানমনাত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া ঘর পেয়ে তারা নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখছে। এ স্বপ্ন ঘর পাবার আগে কখনও দেখেনি। তবে তারা নিম্ন মানের কাজের জন্য বিপদের মধ্যে রয়েছেন বলে জানান। তাদের দাবি সামান্য বৃষ্টি হলে চাল দিয়ে পানি পড়ে, ছাগলের রশির টান লাগলে প্লাস্টার উঠে যাচ্ছে। ঘরের বাসিন্দা বিষ্ণুপুরের অজিত কুমার জানা ঘরে পানিতো পড়ছেই এবং ঘরের ওয়াল ফেটে গেছে। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পানিতে জলাবদ্ধতার ঘটনাও ঘটেছে। ঘরের উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য পাশেই স্তুপ করে রাখা হয়েছে ইট। যা ব্যবহার হবে ঘরের দেওয়ালে।

উপজেলা নিবার্হী অফিসার এসএম জামাল আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করা হয়েছে। এতগুলো ঘর নিমার্ণ করতে গিয়ে ২/১টা ঘরে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। আমরা তা দ্রুত মেরামত করার নির্দেশ দিয়েছি।