প্রধান সূচি

সম্পর্কে তৃতীয়জন এলে বুঝবেন যেভাবে

পুরুষ ও নারীর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সর্ম্পক হচ্ছে ‘ভালোবাসার সম্পর্ক’। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে অনেকের জীবনেই এই সুন্দর সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয়না। আনন্দময় জীবনে ছন্দপতন ঘটে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সম্পর্ক ঙেঙ্গে যাওয়ার জন্য তৃতীয় কারো অনুপ্রবেশকেই দায়ী করা হয়।

আধুনিক নাগরিক জীবনে এমন ঘটনা একদম যে নতুন তা কিন্তু নয়। সেজন্য দাম্পত্য জীবনে কোনো ঘটনার প্রেক্ষিতে নতুন মোড় আসতে চলছে কিনা, তা সময় মতো বুঝে নেওয়া খুব দরকার।সঙ্গীর যদি অন্য কাউকে পছন্দ হয়, তা সবার আগে আপনারই জানা প্রয়োজন। সাধারণত নতুন সম্পর্কে জড়িয়ে পরলে কেউ-ই সেটা জানাতে চায় না, লুকিয়ে রাখতে চায়। দুজনের প্রেমময় সম্পর্কে হঠাৎ অন্য আরেকজনের উপস্থিতি কীভাবে টের পাবেন তার কিছু উপায় আছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক।

সাধারণত একজন অন্যজনকে এ সময়টাতে এড়িয়ে চলে। নতুন প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে অনলাইনে বেশি সময় কাটায়। দুজন একসঙ্গে কোথাও যেতে চায় না। কোনো না কোনো বাহানায় সঙ্গী থেকে দূরে থাকতে চায়। সে স্বামী বা স্ত্রী যে-ই হোক না কেন।

বিছানায় দূরত্ব বাড়ে। এমন কি দুজন অতি ক্ষুদ্র কারণে আলাদা ঘরে ঘুমাতে শুরু করে। তুচ্ছ বিষয়ে তর্ক লেগে যায়। খাবার টেবিলে কথা বলতে অস্বস্তি বোধ করে, এমন কী পাশপাশি থাকলেও হয় মোবাইল, না হয় ল্যাপটপে চোখ আটকে রাখে। স্ত্রী কখন কোথায় যাচ্ছে বা স্বামী কখন ফিরছে, সেই খবর রাখছে না নতুন সম্পর্কে জড়িয়ে পরা ব্যক্তিটি। তিনি হতে পারেন স্বামী কিংবা স্ত্রী।

যেহেতু সঙ্গীর জীবনে নতুন একটি সম্পর্ক এসেছে। মনের অনেকটা অংশ তাতেই ব্যস্ত। ফলে স্বাভাবিকভাবেই পুরনো সম্পর্কে নজর কমে যায় এই সময়েটাতে। যেমন স্ত্রীর সাজ-কাজ কোনোটাতেই নজর নেই স্বামীর। আবার উল্টোটাও হতে পারে, স্বামীর অফিস যাওয়া, অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়ে একদমই বেখেয়াল স্ত্রী।

ভালোবাসার সংজ্ঞা এক একটি সম্পর্কে একেক রকম। কারো কাছে ভালোবাসা প্রকাশ মানে নতুন নতুন রেসিপি রান্না করে খাওয়ানো, আবার কারো ক্ষেত্রে একসঙ্গে সিনেমা দেখা। তাতেই ধরা থাকে সম্পর্কের উষ্ণতা। নতুন কোনো সম্পর্ক তৈরি হলে এ সব কাজেই কিছুটা বদল আসে। স্বামী-স্ত্রী কিংবা প্রেমিক-প্রেমিকা তা অবশ্যই টের পাবেন।