প্রধান সূচি

বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুজ্জামান বিশ্বাস এমপি’র নেতৃত্বে ঈশ্বরদীবাসী প্রধানমন্ত্রীর শপথবাক্য পাঠ করলেন

বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে ঈশ্বরদীসহ সারা দেশের মানুষকে শপথবাক্য পাঠ করালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকালে প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী এই শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। ঈশ্বরদীর সরকারী এস এম স্কুল এ্যান্ড কলেজ মাঠে পাবনা-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব নূরুজ্জামান বিশ্বাসেরর নেতৃত্বে জাতীয় পতাকা হাতে শপথ নেন স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে ‘মহাবিজয়ের মহানায়ক’ শিরোনামে বৃহস্পতি ও শুক্রবার (১৬ ও ১৭ ডিসেম্বর) জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আয়োজনের প্রথমদিন ১৬ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী সবাইকে শপথ বাক্য পাঠ করান। বিজয় দিবসের দিনে দেশবাসীকে সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের যে শপথ পাঠ করালেন প্রধানমন্ত্রী- নিচে তা দেওয়া হলো:

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিসংগ্রামের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। বিশ্বের বুকে বাঙালি জাতি প্রতিষ্ঠা করেছে তার স্বতন্ত্র জাতিসত্তা। আজ বিজয় দিবসে দৃপ্তকণ্ঠে শপথ করছি যে, শহীদের রক্ত বৃথা যেতে দেবো না— দেশকে ভালোবাসবো, দেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণে সর্বশক্তি নিয়োগ করবো। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আদর্শে উন্নত, সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার সোনার বাংলা গড়ে তুলবো। মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের সহায় হোন।

শপথ বাক্য পাঠ করানোর আগে দেওয়া সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুসহ ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘আজ ১৬ ডিসেম্বর, ২০২১। মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের দিন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিজয় দীর্ঘ ২৪ বছরের স্বাধীনতা সংগ্রামের ফসল। বাংলাদেশের মানুষের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকার আদায়ের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।
ঈশ্বরদীতে এসময় পৌর মেয়র ইসাহক আলী মালিথা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার পি.এম.ইমরুল কায়েস, ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ মেহেদী ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্দা গোলাম মোস্তফা চান্না মন্ডল, বীর মুক্তিযোদ্দা নজরুল ইসলাম মিন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান ফান্টু, ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ আসাদুজ্জামান আসাদ, অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) হাদিউল ইসলাম, নারী ভাইস চেয়ারম্যান আতিয়া ফেরদৌস কাকলী, কৃষক লীগ নেতা মুরাদ মালিথাসহ উপজেলা পরিষদের সকল কর্মকর্তা সহ রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা শপথ নেন।