প্রধান সূচি

সংক্রমণ এড়াতে স্কুলে গেলে কী করতে হবে

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ১১টি বিধিনিষেধ দিয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন সরকার। আগামী ১৩ জানুয়ারি থেকে এ বিধিনিষেধে বলা হয়েছে ১২ বছরের বেশি বয়সী সব শিক্ষার্থীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত তারিখের পরে টিকা সনদ ছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না। শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কিছু বিষয় মেনে চলতে হবে। শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও এ বিষয়ে তাদের সচেতন করতে হবে।

স্কুলে যাওয়ার সময় ভালো মানের মাস্ক পরাতে হবে শিশুকে। শিশুদের মানসিকতা ও চলাফেরায় মাস্ক একটা বাধা, ভীতি ও অস্বস্তি। দীর্ঘ সময় মাস্ক পরে থাকা তার জন্য কষ্টকরও। তাই শিশুকে এ বিষয়ে সব সময় বলতে হবে যেনো স্কুলে থাকাকালীন খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া মাস্ক না খুলে।

স্কুলে উপস্থিত প্রত্যেক শিক্ষার্থী যেনো পরস্পরের মধ্যে কমপক্ষে এক মিটার বা ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখে। কীভাবে অ্যাসেম্বলিতে দূরে দূরে দাঁড়াবে, কীভাবে ক্লাসে দূরে বসবে, টিফিন খাওয়ার সময় কী হবে—এ বিষয় নিয়ে শিশুদের সঙ্গে কথা বলবেন।
স্কুল এবং স্কুল-পরবর্তী সময়ে সন্তানরা যেনো তার নিজের শ্রেণি বা অন্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেলামেশায় সীমিত রাখে, সে বিষয়ে তাদের সঠিকভাবে বুঝাতে হবে। আনন্দ-উচ্ছ্বাসে বন্ধুকে জড়িয়ে না ধরা, করমর্দন বা হ্যান্ডশেক না করা, খানিকটা দূরে বসে গল্প করা—এসব বিষয়ে সচেতন করতে হবে।
টিফিনে খাবার খাওয়ার সময় নিজের বাসায় তৈরি খাবার খেতে হবে। অন্যের বক্স বা পানির বোতল ব্যবহার করা যাবে না। এবং টিফিন টাইমে মাঠে খেলাধুলা কম করা।

হাত ধোয়ার বিষয়টা প্রতিদিন শেখাবেন। নিরাপদ ও প্রবাহমান পানিতে পর্যাপ্ত সাবান দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড যেনো হাত ধোয়। তারপর পরিষ্কার কাপড় বা এককভাবে ব্যবহার্য্য তোয়ালে বা রুমাল দিয়ে ভালোভাবে হাত শুকিয়ে নেওয়া।
হাঁচি-কাশি দেওয়ার নিয়ম মেনে চলা শিখাতে হবে। কাশি অথবা হাঁচি সব সময় তাদের কনুইতে দেওয়ার অভ্যাস করাতে হবে। তবে, দুর্ঘটনাক্রমে কাশি-হাঁচি যদি তারা তাদের হাতের উপর করে থাকে, সেক্ষেত্রে অবিলম্বে তাদের হাত ধোয়া বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে, এটা শিখিয়ে দেবেন।