প্রধান সূচি

চাটমোহরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও মারপিটের অভিযোগ

চাটমোহর প্রতিনিধি
পাবনার চাটমোহরে স্কুলছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে ও পরে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে রেজাউল করিম (২৫) নামক এক যুবকের বিরুদ্ধে। এক পর্যায়ে ওই স্কুলছাত্রী ৫ মাসের অন্তস্বত্তা হয়ে পড়লে পেটের ভ্রুণ নষ্ট করে ফেলতে বাধ্য করেছে অভিযুক্ত যুবক এমন দাবি করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার। সর্বশেষ উক্ত স্কুল ছাত্রী বিযের দাবিতে রেজাউলের বাড়িতে গিয়ে উঠলে তাকে বেধড়ক মারপিট করে বাড়ি থেকে বের করে দেয় রেজাউল ও তার পরিবারের লোকজন। রবিবার তাকে আহত অবস্থায় চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীর মা।
লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের বৃ-গুয়াখড়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আফজাল হোসেনের ছেলে রেজাউল করিম তিন বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে একইগ্রামের বাসিন্দা চাটমোহর আরসিএন অ্যান্ড বিএসএন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর এ ছাত্রীর সাথে। তারপর বিয়ের প্রলোভনে সবার অজান্তে স্কুলছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। এক পর্যায়ে অন্তস্বত্তা হয়ে পড়ে ওই স্কুলছাত্রী। পরে গত বছরের ১৪ জুলাই পেটের পাঁচ মাসের বাচ্চাটি নষ্ট করে ফেলতে বাধ্য করে অভিযুক্ত রেজাউল।
গত রোববার (১৬ জানুয়ারী) বিয়ের দাবীতে স্কুল ছাত্রীটি রেজাউলের বাড়িতে গিয়ে উঠলে বেধড়ক মারপিট করেন রেজাউল, তার বাবা-মা সহ পরিবারের অন্য সদস্যরা। আহত অবস্থায় তাকে চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে স্বজনরা। ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মা বলেন, রেজাউল তার মেয়ের জীবন নষ্ট করে দিয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান তিনি।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্কুলছাত্রী বলেন, রেজাউল তার সাথে প্রেমের সম্পর্ক করে বিভিন্ন সময়ে জোড় পূর্বক মেলামেশা করেছে। বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু এখন সে তাকে বিয়ে না করে উল্টো মারধর করেছে। এখন তিনি এ জীবন নিয়ে কোথায় যাবেন ?

চাটমোহর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, ভুক্তভোগীর মা বাদি হয়ে ৫ জনের নামে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ধর্ষণ কি না আমরা নিশ্চিত নই। তবে পুরো ঘটনা তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য অভিযুক্ত রেজাউলের মুঠোফোনে বার বার ফোন করা হলে ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।