প্রধান সূচি

বীরগঞ্জে যৌতুকের কারনে অন্তঃস্বত্বা গৃহবধুর গর্ভপাতের চেষ্টার অপরাধে স্বামী, ননদ ও ননদের স্বামী গ্রেফতার

মোঃ আবেদ আলী, বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি ॥ বীরগঞ্জে যৌতুকের কারনে অন্তঃস্বত্বা গৃহবধু রাবেয়া খাতুনের গর্ভের অনাগত সন্তান গর্ভপাতের চেষ্টার অপরাধে পুলিশ স্বামী, ননদ ও ননদের স্বামীসহ ৩জনকে গ্রেফতার করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে সোপর্দ করেছে ।

বীরগঞ্জ থানা পুলিশের একটি চৌকস দল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধনী/২০০৩ইং) আইনের ১১(গ)/৩০ তৎসহ ৩২৩/৩১৫/৩৪ দন্ড বিধি আইনের ধারায় মদনপুর ও ভগিরপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে উপজেলা সদর ইউনিয়নের মদনপুর গ্রামের সাবকে সহকারী অধ্যাপক আব্দুল কাদেরের ছেলে আমতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুজাউল কবির (৪০) ও উপজেলা সদর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তরে মোহনপুর ইউনিয়নের সামসুল ইসলাম (৫৫) ও জেসমিন আক্তার (৪৮)’কে গ্রেফতার করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে সোপর্দ করেছে।
উল্লেখ্য, গত ২২ ফ্রেবরুয়ারী/২২ইং বিকেলে অন্তঃস্বত্বা গৃহবধু রাবেয়াকে মদনপুর গ্রামে স্বামীর শোওয়ার ঘরে আটকিয়ে ৫ লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে গর্ভের অনাগত সন্তান গর্ভপাতের জন্য তলপেটে উপর্যপুরি লাত্থি দেয় এবং স্বামী বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দিলে পিতার বাড়ী চলে যায়। স্বামী, ননদ ও ননদের স্বামীর নির্যাতনের শিকার বাবেয়ার ওই দিন রাতে পেট ব্যাথা, রক্তক্ষরন ও বমি শুরু হলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা দায়েরের পরামর্শ দেন[।
বীরগঞ্জ থানার ওসি সৃব্রত কুমার রসকার সংবাদের সত্যতা স্বীকার করে জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের গ্রেফতারী পরওয়ানা বলে এসআই তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়েছে।