প্রধান সূচি

বগুড়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে ৪টি  প্রতিষ্ঠানে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা

বগুড়া: অবৈধভাবে অতিরিক্ত চাল মজুদ এবং যথাযথ লাইসেন্স ও অনুমোদন ছাড়াই ব্যবসা পরিচালনা করার অভিযোগে বগুড়া শেরপুরের চারটি পৃথক চালকল ও চালের গুদামে অভিযান চালিয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২ টা থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার কৃষ্ণপুর ও আন্দিকুমড়া এলাকায় অভিযানটি চালানো হয়।
বগুড়া জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল নাইমের নেতৃত্বে অভিযানে গৌর গৌরাঙ্গ ভান্ডারকে অনুমোদিত সীমার চেয়ে অতিরিক্ত চাল মজুদের অপরাধে ৬০ হাজার টাকা, মেসার্স তুলি সেমি অটোরাইস মিলে অতিরিক্ত পরিমাণে চাল মজুদকরণ এবং প্রয়োজনীয় লাইসেন্স না থাকায় ৭০ হাজার টাকা, অতিরিক্ত চাল মজুদ এবং লাইসেন্স না থাকায় স্থানীয় ব্যবসায়ী জাহিদ হাসানকে ৫০ হাজার এবং অনুমোদনের নির্ধারণের সীমার অতিরিক্ত চাল মজুদ এবং ভাড়াটিয়াদের ব্যবসার অনুমোদন না থাকায় দুই ভাই সেমি অটো রাইস মিলে ৭০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। অভিযানে এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন শেরপুরের খাদ্য পরিদর্শক রাশেদুল ইসলাম, গোলাম রব্বানী ও উচ্চমান সহকারী সেলিম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন জেলা পুলিশ ও এপিবিএন পুলিশ সদস্যরা।
অভিযান প্রসঙ্গে বগুড়া জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল নাইম বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত চাল মজুদকরণের মাধ্যমে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আবার অনেকে জানেনই না যে, চাল মজুদকরণ ও ব্যবসা পরিচালনা করার জন্যে অন্য সকল লাইসেন্স এর পাশাপাশি তাদের বাধ্যতামূলক খাদ্য ও দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের খাদ্যশস্য/খাদ্য সামগ্রী ক্রয়-বিক্রয় ও গুদামজাতকরণ লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক। যেখানে কে কতটুকু চাল মজুদ করতে পারবে তার অনুমোদন দেয়া থাকে কিন্তু ব্যবসায়ীরা এই অনুমোদনের সীমার অতিরিক্ত চাল মজুদ করছে অধিক মুনাফার প্রত্যাশায়। তিনি জানান, বগুড়া জেলা প্রশাসক জিয়াউল হকের নেতৃত্বে ও সার্বিক দিক-নির্দেশনায় জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে কঠোরভাবে বাজার ও চালকল মনিটরিং করা হচ্ছে যাতে কেউ সাধারণ জনগণের সাথে ব্যবসার নামে প্রতারণা না করতে পারে। যার অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে যা অব্যাহত থাকবে।