প্রধান সূচি

জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

দেশে নির্বাচনের ইতিহাসে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনকে একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘তার সরকার জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে।’ মঙ্গলবার (৫ জুলাই) কুসিক-এর নবনির্বাচিত মেয়র এবং কাউন্সিলরদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন তিনি। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনের এই অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।

একটি উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যদিয়ে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখনে মানুষ কেবল স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকারই প্রয়োগ করেনি, নির্বাচনটাও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ছিল। মানুষ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছে। আমি মনে করি, নির্বাচনের ইতিহাসে এটা একটা দৃষ্টান্ত।’

জনসাধারণ যাতে তাদের ভোটাধিকার যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে পারে সেজন্য তার সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক পরিবেশেরই মধ্যেই দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিহিত।’

শেখ হাসিনা মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস ধরে রাখতে এবং তাদের প্রতি যথাযথভাবে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করার জন্য কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এটা চাই জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনগণের প্রতি আপনার যে কর্তব্য ও দায়িত্ব রয়েছে তা আপনারা যথাযথভাবে পালন করবেন, যাতে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস আপনাদের ওপর থাকে।’

কুসিক নির্বাচনে নবনির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের শপথ বাক্য পাঠ করাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফোকাস বাংলা
তিনি বলেন, ‘যে বিশ্বাস নিয়ে আপনাকে ভোট দিয়েছে সেই বিশ্বাসে যেন কখনো চিড় না ধরে, সেই বিশ্বাস যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেই বিশ্বাসকে ধরে রেখে আরও বিশ্বাস যাতে অর্জন করতে পারেন সেদিকে আপনারা বিশেষভাবে দৃষ্টি দেবেন।’

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী গত ১৫ জুন অনুষ্ঠিত কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী আওয়ামী লীগের বিজয়ী প্রার্থী আরফানুল হত রিফাতকে ভার্চুয়ালি শপথ বাক্য পাঠ করান। অন্যদিকে, সংরক্ষিত আসনের নয় জন নারীসহ ৩৬ জন নির্বাচিত কাউন্সিলরদের শপথ বাক্য পাঠ করান এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান যুগ মূলত প্রযুক্তিনির্ভর এবং বেশিরভাগ দেশই তাদের নির্বাচনে প্রযুক্তি ও নির্বাচনী ভোটিং মেশিন ব্যবহার করছে। নির্বাচনের ক্ষেত্রে জনগণ যেন তাদের ভোটের অধিকারটা উপভোগ করতে পারে তা নিশ্চিত করতে যা যা করার আওয়ামী লীগ সরকার করে যাচ্ছে। কেননা, আওয়ামী লীগ জন্মলগ্ন থেকেই মানুষের অধিকার নিয়ে সংগ্রাম করেছে এবং দলটির প্রতিষ্ঠাই হয়েছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে।’