প্রধান সূচি

বেসরকারি গণগ্রন্থাগার পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব হলেন বগুড়ার রেজাউল করিম

 বাংলাদেশ বেসরকারি গণগ্রন্থাগার পরিষদের জাতীয় নির্বাহী কমিটির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন (২০২২-২০২৪) কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন সাকিব সমাজকল্যাণ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক বগুড়ার রেজাউল করিম রেজা। তিনি সংগঠনটির ঢাকা ও সিলেট বিভাগে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ এই সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটিতে ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বগুড়ার মিনারা বেগম মিনা।
এদিকে বগুড়া থেকে বাংলাদেশ বেসরকারি গণগ্রন্থাগার পরিষদের জাতীয় নির্বাহী কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পাওয়ায় শুক্রবার সকালে রানীরহাট সাকিব সমাজ কল্যাণ পাঠাগার সেমিনার কক্ষে রেজাউল করিম রেজা কে সংবর্ধনা জানান সংগঠনটির বগুড়া জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। বাংলাদেশ বেসরকারি গণগ্রন্থাগার পরিষদ বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি মনজুর রহমান এর ব্যবস্থাপনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি মোহাম্মাদ আলী, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিহাদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এহতেশামুল হক, কোষাধ্যক্ষ রাশেদুল, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক লাইজু প্রমুখ।
এ প্রসঙ্গে মুঠোফোনে রেজাউল করিমের সাথে কথা বললে তিনি জানান, গত ২৪ জুলাই বাংলাদেশ বেসরকারি গণগ্রন্থাগার পরিষদের ৬০টি জেলার জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দের অংশগ্রহণে দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের মাধ্যমে উক্ত পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ‘পাঠাগার আন্দোলন বাংলাদেশ’ এর ট্রাস্টি ও বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক এআইজি মালিক খসরু পিপিএম এবং মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় সংসদ সদস্য হাবিবা রহমান খান শেফালী এমপি। পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন হলে তিনি যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন যাতে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সৃষ্টিকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি। তিনি বলেন, তাদের সংগঠনটি সারাদেশে বইপড়া আন্দোলন ছড়িয়ে দিতে বিগত ২০০৮ সাল থেকে দেশব্যাপী গ্রাম ভিত্তিক গণপাঠাগারের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে ছাত্র ও যুব সমাজকে অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে বিরত রাখতে একযোগে কাজ করছে । বর্তমানে দেশে ২৫০০টি গণগ্রন্থাগারে প্রায় ২০ লক্ষাধিক পাঠক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে নিয়মিত বইপাঠ সেবা নিচ্ছে। তাই পাঠকসেবা দিয়ে বইপড়া আন্দোলন জোরদারের মাধ্যমে স্বাধীনতার সুফল এবং সোনার বাংলা গড়ার আন্দোলনে নতুন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করতে তারা নিজেদের সর্বোচ্চ প্রয়াস করে যাবে মর্মে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।