প্রধান সূচি

শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে রাঙামাটি রাজবনবিহারে ৪৭তম দানোত্তম চীবর দানানুষ্ঠান সম্পন্ন

রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি :: বর্তমান সময়ের বাস্তবতায় এবং করোনা মহামারীর কারণে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক রাঙামাটি রাজবন বিহারে আজ ২৭ নভেম্বর শুক্রবার ৪৭তম কঠিন চীবর দানোৎসব সংক্ষিপ্তাকারে সম্পন্ন করা হয়।
শুক্রবার সকালের প্রথম পর্বে পঞ্চশীল প্রার্থনা করেন বালুখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্রাক্তন চেয়্যারম্যান বিজয় গিরি চাকমা।
উপস্থিত দায়ক-দায়িকাদেরকে পঞ্চশীল প্রার্থনা করান ইদ্রগুপ্ত মহাস্থবির।
পরে সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, হাজার বাতি দান, চীবর দান, হাজার প্রদীপ দান, কল্পতরুদান ও বৌদ্ধমুত্তি দান উৎসর্গ করা হয়।
রাঙামাটি রাজবন বিহারের আবাসিক প্রধান প্রজ্ঞালংকার মহাথের উপস্থিতিতে ধর্মদেশনা প্রদান করেন জিনপ্রিয় মহাস্থবির ও ড. জিনবোধি মহাথের।
এ পর্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন উপ-মন্ত্রী মনি স্বপন দেওয়ান ও দায়ক অমিয় খীসা।
২য় পর্ব দুপুর দেড়টায় শুরু হয় এসময় পঞ্চশীল প্রার্থনা করেন দায়ক অমিয় খীসা।
ধর্মদেশনা প্রদান করেন রাঙামাটি রাজবন বিহারের আবাসিক প্রধান প্রজ্ঞালংকার মহাথের ও কাটাছড়ি বন ভাবনা কেন্দ্রের অধ্যক্ষ ইন্দ্রগুপ্ত মহাস্থবির।
২য় পর্বে সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, হাজার বাতি দান, চীবর দান, হাজার প্রদীপ দান,ফল-ফুল দান, কল্পতরু দান ও বৌদ্ধমুত্তি দানসহ নানাবিধ দান উৎসর্গ করা হয়।
এসময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন উপ-মন্ত্রী মনি স্বপন দেওয়ান।
দায়ক-দায়িকাদের পক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি পাঠ করেন রাঙামাটি স্থানীয় সরকার পরিষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান গৌতম দেওয়ান।
দানোৎসবে বৈশ্বিক করোনা মহামারীর দুর্যোগে মৃত্যুবরণকারীদের আত্মার সৎগতি ও বিশ্ব শান্তি কামনা করে সমবেত প্রার্থনা করা হয়।
দানোৎসব শেষে রাঙামাটি রাজবন বিহারের ৪৭তম কঠিন চীবর দানের সকল দানীয় বস্তু ভিক্ষু সংঘের নিকট হস্থান্ত করা হয়।
কঠিন চীবর দানোৎসবের ধর্মীয় অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন প্রনয় খীসা ও মধুচন্দ্র চাকমা।
তবে এবছর এ উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ বেইন বুনা অনুষ্ঠিত হয়নি।